Skip to main content

চট্টগ্রাম বুলেটিন

ঈদেরই আগেই শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ও বোনাস পরিশোধ করতে হবে

ঈদুল ফিতরের আগেই পোশাক কারখানাসহ সকল শ্রমিকদের বকেয়া বেতন, চলতি মাসের মজুরি ও ঈদ বোনাস করতে হবে। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে অনুষ্ঠিত “আঞ্চলিক ক্রাইসিস প্রতিরোধ কমিটি, চট্টগ্রামের ৩০তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক।

সভায় সদস্য সচিব হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর (ডাইফ), চট্টগ্রামের উপ-মহাপরিদর্শক মোহাম্মদ মাহবুবুল হাসান এবং ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ শর্মা। এছাড়াও সভায় জেলা শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার, জেলা পুলিশের প্রতিনিধি, গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধি, বাংলাদেশ ব্যাংক, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, বিজিএমইএ, বিকেএমইএসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ইপসাসহ অন্যান্য এনজিও প্রতিনিধি, গার্মেন্টস শিল্পের মালিকপক্ষের প্রতিনিধিগণ এবং বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চট্টগ্রাম অঞ্চলের শিল্প-কারখানায় শ্রম পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ রাখা এবং শ্রমিকদের বেতন-ভাতা ও উৎসব বোনাস সময়মতো পরিশোধ নিশ্চিত করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় সর্বসম্মতিক্রমে সংশ্লিষ্ট শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের সকল বকেয়া বেতন, চলতি মাসের মজুরি এবং ঈদ বোনাস নির্ধারিত সময়ের পূর্বে পরিশোধ করতে হবে বলে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এসময় এ বিষয়ে উপস্থিত মালিকপক্ষের প্রতিনিধিরা ইতিবাচক আশ্বাস দেন।

 

সভায় শিল্প প্রতিষ্ঠানে শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীল কর্মপরিবেশ বজায় রাখা, শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা যথাসময়ে পরিশোধ করা এবং যেকোনো শ্রমসংক্রান্ত সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে আহ্বান জানানো হয়।

সভাপতি জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা জানান, চট্টগ্রাম দেশের অন্যতম প্রধান শিল্প ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র। শিল্পখাতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা জাতীয় অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা এবং উৎসবের আগে শ্রমিকদের প্রাপ্য পরিশোধের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

সভা শেষে উপস্থিত সকল অংশীজন শিল্পাঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার বিষয়ে সম্মিলিত অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন৷ শ্রমজীবী মানুষ তাদের প্রাপ্য অধিকার নিশ্চিত করে পরিবার-পরিজনের সঙ্গে আনন্দমুখর পরিবেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করতে পারেন সেই প্রত্যাশা করেন সকলে।

Tags :

সর্বশেষ