চট্টগ্রাম বুলেটিন

এএসপি পলাশ সাহার মৃত্যু নিয়ে যা জানাল তার ভাই

চট্টগ্রাম র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) চান্দগাঁও ক্যাম্পে কর্মরত এএসপি পলাশ সাহা নামে এক কর্মকর্তা আত্মহত্যা করেছেন। নিজ দপ্তরেই নিজ চেয়ারে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে তাকে। পলাশ ঘাঢ নিচু করে এমন অবস্থায় চেয়ারে বসা ছিলেন যেন ক্লান্ত হয়ে ঝিমিয়ে পড়েছিলেন। তবে মৃতদেহ সরাতেই চেয়ারে ও সমস্ত মেঝেতে রক্তের চিহ্ন পাওয়া গেল। মুহুর্তেই খবর ছড়িয়ে পড়ে তার কাছে থাকা পিস্তল দিয়ে গুলি করে আত্মহত্যা করেছেন পলাশ সাহা। পাশেই পাওয়া গেছে একটি চিরকুট। সে চিরকুটে বউ যেন সব স্বর্ণ নিয়ে যায়, মায়ের দায়িত্ব দুই ভাইয়ের। মৃত্যু জন্য বউ বা মা কেউই দায়ী নন বলে জানান।

চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় হতবাক পুরোদেশবাসী। কিভাবে এ র‍্যাব কর্মকর্তার মৃত্যু হলো তা জানতে চায় দেশবাসী। এদিকে পলাশ সাহার আত্মহত্যার কারণ জানালেন তার মেজো ভাই নন্দ লাল সাহা। বুধবার (৭ মে) চট্টগ্রাম র‍্যাব কার্যালয়ের নিজ অফিস থেকে পলাশ সাহার লাশ উদ্ধার করা হয়।

মৃত পলাশ সাহার লাশের পাশ থেকে একটি চিরকুট পাওয়া যায়। তিনি র‍্যাব-৭ এ কর্মরত ছিলেন। পলাশ সাহা গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া উপজেলার তারাশী গ্রামের মৃত বিনয় কৃষ্ণ সাহার ছেলে।

এএসপি পলাশ সাহার মেজো ভাই নন্দ লাল সাহা বলেন, দুই বছর আগে ফরিদপুরে চৌধুরীপাড়ায় পলাশের বিবাহ হয়। বিয়ের ৬-৭ মাস পর থেকেই পারিবারিক কলহ লেগেই থাকতো। প্রতিদিন কিছু না কিছু নিয়ে পলাশের স্ত্রী সুস্মিতা সাহা পরিবারে ঝামেলা করতো। আমার মা আরতি সাহা পলাশের সঙ্গে চট্টগ্রামে থাকতো এটা পলাশের স্ত্রী মেনে নিতে পারতো না। সে সবসময় মাকে গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়ার জন্য পলাশকে চাপ প্রয়োগ করতো। পলাশ কিছুইতেই মাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দিতে চাইতো না। সে মা ও তার স্ত্রী দু’জনকেই ভালোবাসতো।

বুধবার সকালে সামান্য বিষয় নিয়ে আমার মা আরতি সাহা ও ভাই পলাশ সাহার গায়ে হাত তোলে সুস্মিতা সাহা। এটা কোনভাবেই মেনে নিতে পারেনি আমার ভাই। আর এ কারণেই আমার ভাই পলাশ সাহা আত্মহত্যা করেছে বলে আমাদের ধারণা।

 

Tags :

সর্বশেষ