চট্টগ্রাম নগরীর আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারের ওয়াসা মোড় অংশে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কুশপুত্তলিকা ঝুলতে দেখা গেছে বলে জানা গেছে। তবে পুলিশ বলছে সরেজমিনে টীম পাঠিয়ে এর কোন অস্তিত্ব পায়নি তারা। যদিও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দিনভর ফ্লাইওভারে ওই কুশপুত্তলিকাটি ঝুলে ছিল।
বুধবার (২৬ মার্চ) ওয়াসা মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, কুশপুত্তলিকাটিতে লেখা সাদা কাগজে লাল কালিতে লেখা ছিল, ইউনূসের আবিষ্কার ধর্ষণ আর বলাৎকার’।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকাল থেকেই ওই কুশপুত্তলিকা ঝুলতে দেখা গেছে। তবে কে বা কারা এটি ঝুলিয়েছে বিষয়টি কেউ জানে না। অপরদিকে বুধবার (২৬ মার্চ) বিকাল ৫ টার দিকে সরজমিনে ওয়াসা মোড়ে গিয়ে দেখা যায়, আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারের ওয়াসার মোড় অংশে কুশপুত্তলিকাটি ঝুলছিল। যার বুকে সাদা কাগজে লাল কালিতে লিখা ছিল ড. ইউনুসের নাম এবং মুখে লাগানো ছিল ড. ইউনুসের ছবি। এ নিয়ে কৌতূহলের কমতি ছিলনা স্থানীয়দের।
কুশপুত্তলিকাটির ছবিসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোষ্ট করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের পলাতক নেতা নূরুল আজিম রনি। তিনি ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে লেখেন, ‘ধর্ষককের পিতার কুশপুত্তলিকা চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় ঝুলিয়ে দিয়েছে বিপ্লবী জনতা। ধ’র্ষণ- নারী, শিশু নি’র্যাতনের প্রতিবাদ চলতে থাকুক। সারাদেশের এলাকায় এলাকায় ঝুলিয়ে দেওয়া হোক। দিনদুপুরে প্রধান উপদেষ্টার কুশপুত্তলিকা সিএমপির সামনে ঝুলিয়ে রাখায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকে। তারা পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।
জানতে চাইলে বিষয়টি নিয়ে নগরীর খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফতাব হোসেন বলেন, এই কুশপুত্তলিকার কথা আমিও শুনেছি। তবে আমরা টহল টিম পাঠিয়ে এর কোন অস্তিত্ব পায়নি। হতে পারে ছাত্রলীগ-যুবলীগ একটি কুশপুত্তলিকা বানিয়ে বিভিন্ন স্থানে ছবি তুলে এরপর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দিচ্ছে। আমরা সনাক্ত করার চেষ্টা করছি কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে।