চট্টগ্রাম বুলেটিন

হিলভিউ আবাসিকে পাহাড় কর্তণ, সৈয়দ মোরশেদকে ৩৪ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ

 

নগরের হিলভিউ আবাসিক এলাকায় পাহাড় কেটে বাড়ি বানানোর প্রস্তুতি নেওয়ায় সেখানে অভিযান পরিচালনা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। পরে পাহাড় কাটার সাথে যুক্ত আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালের সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেনকে ৩৪ হাজার ৫০০ টাকা ক্ষতিপূরণ আরোপ করা হয়েছে।

গত ৯ এপ্রিল পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম মহানগরের পরিচালক সোনিয়া সুলতানা এ আদেশ দেন। তিনি শুনানী শেষে মোরশেদ হোসেনকে জরিমানা আরোপ করেন।

জানা গেছে, আরোপিত জরিমানার ১০ হাজার টাকা পরিশোধ করেছেন তিনি। বাকি টাকা এখনও পরিশোধ করেননি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক রুম্পা সিকদার।

এর আগে একটি সংবাদ পরিবেশন করা হয়। এতে হিলভিউ আবাসিকে পাহাড় কেটে বহুতল ভবন করা হচ্ছে। আর সেটি করছেন মা ও শিশু হাসপাতালের সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেন। সরেজমিনে গিয়ে পাহাড় কাটার প্রমাণও মিলেছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের তদন্ত দলও প্রমাণ পায় পাহাড় কাটার।

ওইসময় জানেতে চাইলে মোরশেদ হোসেন বিষয়টি অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, আমি পাহাড় কাটছি না। পাশের একজন কাটছে। যদিও ওইদিনই (৫এপ্রিল) তাকে নোটিশ দেয় পরিবেশ অধিদপ্তর। নোটিশে ৯ এপ্রিল স্ব-শরীরে হাজির হতে বলা হয়। জানা গেছে, হিলভিউ আবাসিকের প্লটগুলো ছিন্নমূল বস্তবাসীদের পুনর্বাসনের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়। ওইসময় কিছু প্লট পান ইসলামিক ফ্রন্টের চেয়ারম্যান এম এ মতিন। ২০১২, ১৩ সালের দিকে কিছু প্লট তিনি বিক্রি করেন। ওইসময় মোরশেদ হোসেন কয়েকটি প্লট কিনে নেন। সেসময় সেগুলো পাহাড় ছিল। তবে তাদের মধ্যে বর্তমানে মালিকানা নিয়ে বিরোধ চলছে।

Tags :

সর্বশেষ