আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের বিভিন্ন স্থানে টানা তৃতীয় দিনের মতো বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়া গেছে। রাজধানী তেহরানসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় রোববার ধারাবাহিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
ইসরাইল–এর সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হামলার প্রধান লক্ষ্যবস্তু ছিল ইরানের সামরিক ঘাঁটি ও কৌশলগত স্থাপনা। তাদের দাবি, এসব স্থাপনা আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করছিল।
অন্যদিকে ইরান–এর কর্তৃপক্ষ বলছে, হামলায় সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি বেসামরিক অবকাঠামোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দেশটির সরকারি গণমাধ্যমে জানানো হয়েছে, চলমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে তারা যুক্তরাষ্ট্র–এর সঙ্গে যেকোনো সম্ভাব্য আলোচনা থেকে আপাতত বিরত রয়েছে।
এদিকে দ্বিতীয় দিনের মতো দেশটিতে ইন্টারনেট সংযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকার খবর পাওয়া গেছে। আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলো সংযোগে বড় ধরনের বিঘ্নের ইঙ্গিত দিয়েছে বলে প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের দাবি।
শনিবার যুদ্ধের সূচনালগ্নে তেহরানে শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে হামলার ঘটনা ঘটে বলে ইরানি সূত্রগুলো জানিয়েছে। তবে এ বিষয়ে স্বাধীন আন্তর্জাতিক সূত্র থেকে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি–এর অবস্থান ও পরিস্থিতি সম্পর্কে সরকারিভাবে স্পষ্ট কোনো ঘোষণা আসেনি।
বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান উত্তেজনা মধ্যপ্রাচ্যে বৃহত্তর সংঘাতের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলতে পারে। কূটনৈতিক অচলাবস্থা দীর্ঘায়িত হলে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর এর প্রভাব আরও গভীর হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।