নিজস্ব প্রতিবেদক:
নিপীড়নের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েই এনসিপি প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে বলে জানিয়েছেন দলটির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক জোবাইরুল হাসান আরিফ।
শুক্রবার (২১ মার্চ) জুমার নামাজের পর নগরের আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদ থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল করে দলটি। পরে মিছিলটি নগরের নিউ মার্কেট মোড়ে গিয়ে সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয়। সেখানেই জোবাইরুল হাসান আরিফ এ কথা বলেন।
“এনসিপি দিচ্ছে ডাক, ফিলিস্তিন মুক্তি পাক” এই স্লোগানকে সামনে রেখে কর্মসূচীটি পালন করে এনসিপি। এসময় উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ঈমন সৈয়দ ও রাসেল আহমেদ, জেলা সংগঠক ইরফান ও রাফসানসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।
ইসরালি জায়নবাদ বিরোধী এ প্রতিবাদ মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশের সাথে একাত্মতা জানাতে আরও উপস্থিত ছিলেন গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক খান তালাত মাহমুদ রাফি, রিজাউরসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা।
বিক্ষোভ সমাবেশে যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ইমন সৈয়দ বলেন, যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও ইসরাইলি জায়নবাদিরা একের পর এক বোমা হামলা চালিয়ে নিরীহ ফিলিস্তিনিদের উপর যে নির্যাতন চালাচ্ছে মানবিকতার কোনো দৃষ্টিভঙ্গি এটা জাস্টিফাই করতে পারে না। অনতিবিলম্বে এই ধরণের জেনোসাইড বন্ধ করতে হবে। জাতিসংঘকে হুশিয়ারি দিতে চাই, শান্তি প্রতিষ্ঠার জায়গায় তারা এ বিষয়ে কেনো নিশ্চুপ? আমরা নিরীহ শিশু ও নারীদের হত্যার তীব্র নিন্দা জানাই।
জোবাইরুল হাসান আরিফ বলেন, ফিলিস্তিনের সাধারণ মুসল্লিরা আমাদের ভাই। এই ন্যাক্কারজনক হামলায় আমাদের হৃদয়ের রক্তক্ষরণ বাড়িয়ে দিচ্ছে। আমাদের অপরাগতা আমাদের খুবলে খুবলে খাচ্ছে। কিছু কি করার আছে? বিশ্বের সকল দেশের প্রতি আমরা আহ্বান জানাই আপনারা এই জেনোসাইডের বিরোধিতা করেন। জায়নবাদী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলেন। নিপীড়নের বিরুদ্ধে অবস্থানের মাধ্যমেই এনসিপি প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। বিশ্বের যে কোনো প্রান্তের নিপীড়নের বিরুদ্ধে আমরা কাজ করে যাবো। জনমত সৃষ্টি করে আমরা আমাদের ভাইদের সাহায্য করবো। আমরা জাতিসংঘসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশসমূহকে বলবো আপনারা ফিলিস্তিনের পাশে এসে দাঁড়ান।