বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমীর পরিবেশবিদ নজরুল ইসলাম বলেছেন, অতীতে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে তারা গাড়িতে আগুন দিয়ে সন্ত্রাস সৃষ্টি করত। সেই আগুন সন্ত্রাসের দায় জামায়াতের উপর চাপিয়ে দেওয়া হতো। তিনি অভিযোগ করেন, মানুষ হত্যা, খুন, গুমের মতো ন্যক্কারজনক ঘটনার নেপথ্যের নায়ক আওয়ামী লীগই, যারা আবারও দেশে একদলীয় রাম রাজত্ব কায়েম করতে চায়।
মঙ্গলবার (১৩ নভেম্বর) সকালে আওয়ামী লীগের ঘোষিত লকডাউন কর্মসূচির প্রতিবাদে চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতে ইসলামী নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে। নগরীর মুরাদপুর মোড়ে আয়োজিত প্রধান কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নজরুল ইসলাম এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগের ঘোষিত লকডাউন জনগণ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশের মানুষ আজ গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ।”
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নগর পাঁচলাইশ থানা জামায়াতের আমীর ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুল হাসান রুমী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী, হামেদ হাসান এলাহী, চকবাজার থানা আমীর আহমেদ খালেদুল আনোয়ার, নায়েবে আমীর আব্দুল হান্নান।
৮ নম্বর শুলকবহর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি শহীদুল্লাহ তালুকদারের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন চকবাজার থানা জামায়াতের সেক্রেটারি সাদুর রশিদ সাদ, খুলশী থানা জামায়াতের সেক্রেটারি আমান উল্লাহ আমান, শফিউল আজিম মন্টি, আজীজুল হক, জাহাঙ্গীর আলম, আবু রাশেদ, উমর ফারুক, এরশাদুল ইসলাম, আব্দুল মতিন, নুরুন্নবী, হাফেজ সফিক।
এতে বিশেষ অতিথি অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী বলেন, আওয়ামী লীগের দুঃশাসনে দেশের জনগণ আজ অতিষ্ঠ। জনগণ আর এই ফ্যাসিবাদী সরকারের কাছে নতি স্বীকার করবে না, ইসলামী আন্দোলনের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করবেই। অন্য বক্তারা বলেন, “দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সুষ্ঠু নির্বাচন এবং জনগণের অংশগ্রহণই একমাত্র পথ।” তারা শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতিও ব্যক্ত করেন।