বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সাবেক সভাপতি, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি ও শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, জামায়াতে ইসলামীর পাঁচলাইশ থানার সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল রানা ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
আজ রবিবার (৯ মার্চ) বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৪ টায় থাইল্যান্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন জনপ্রিয় সাবেক এই ছাত্রনেতা।
বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম মহানগর ইসলামী ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি তৌহিদ আজাদ বলেন, শিবির চট্টগ্রাম মহানগরী উত্তরের সাবেক সভাপতি সোহেল রানা আজ ভোরে ইন্তেকাল করেছেন। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি অপারেশনের পর তাঁর শরীর থেকে ৩ কেজি ওজনের টিউমার বের করা হয়। এরপর পোস্ট অপারেটিভ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়।পরবর্তীকালে অবস্থার অবনতি হয়। ফুসফুসে ফ্লুইড জমা হচ্ছিল এবং তা নিয়মিত বের করার ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছিলো।
তিনি বলেন,’ অপারেশনের পর সোহেল রানার অবস্থার মাঝখানে কিছুটা উন্নতি হয়। এরপর আরও পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। এরমধ্যে গতরাতে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে।’
প্রয়াত সোহেল রানার গ্রামের বাড়ি ভোলা জেলায়। তবে তাঁর বেড়ে উঠা চট্টগ্রাম শহরে। তিনি ছাত্রশিবিরের কেন্দ্র প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্বপালন করেছেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী,৭ মাস বয়সী সন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
শিবির নেতারা জানান, ২০১৩, ২০১৪ সালে দীর্ঘ সময় ধরে তিনি স্বৈরাচারের মিথ্যা মামলায় কারাগারে ছিলেন। ওইসময় তিনি কারাগারে শিবির ওয়ার্ডগুলোর পরিচালক ছিলেন। কারাগারে শিবির-জামায়াতের কর্মী, সাথী, রোকনদের গাইড দিতেন সাবেক এই ছাত্রনেতা। কারা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সকল শিবিরের শৃঙ্খলা বিষয়ে নিয়মিত অবগত করতেন। কারাগারে তিনি ছিলেন ফ্যাসিস্ট হাসিনার আওয়ামী কারা পুলিশদের আতঙ্ক। কারাগারে অন্যায়ভাবে শাস্তি দেওয়ার প্রচলন রয়েছে। সোহেল রানার সাহসীকতায় শিবিরের কর্মীদের এ উপর অন্যায় করার সাহস পেতো অসাধু কারারক্ষীরা।