বিতর্কিত শিল্প গোষ্ঠী এস আলমকে বিতর্কিত লোন দিয়ে চাকরী হারিয়েছেন চট্টগ্রামের নাজিরহাট পৌরসভা জামায়াতের আমীর ও ইউনিয়ন ব্যাংক নাজিরহাট শাখার ম্যানেজার বায়েজিদ হাসান মুরাদ।
গত ৩ আগস্ট তাকেসহ ৫৮ জনকে চাকরীচ্যুত করেছে ব্যাংকটির নতুন পরিচালনা পর্ষদ। এ ধরণের একটি চিঠিতে দেখা গেছে, ব্যাংকটির ইভিপি ও হেড অব এইচআরডি কর্মকর্তা মোহাম্মদ হায়দার আখলাক সাক্ষর করেছেন। এতে লেখা রয়েছে ইউনিয়ন ব্যাংক পিএলসির চাকরী রুলস অনুসারে টার্মিনেট করা হলো। আপনার সিদ্ধান্তের কারণে প্রতিষ্ঠানের যেকোন ক্ষতির মুখে পড়লে আইনী ব্যবস্থা নিতে পারবে।
এর আগে ২৫২ জনকে চাকরীচ্যুত করে ব্যাংকটি। অধিকাংশই চট্টগ্রামের পটিয়ার বাসিন্দা। এবার ৫৮ জনকে চাকরীচ্যুত করা হলে সেখানে নাজিরহাট শাখার ম্যানেজারকে এই শাস্তির আওতায় আনা হয়। তিনি জামায়াতের ওই শাখার আমীর।
একটি সূত্র জানিয়েছে, কেবল বিতর্কিতদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নিচ্ছে ইউনিয়ন ব্যাংক। এস আলম গ্রুপকে নামে-বেনামে ঋণ দেওয়াসহ নানা সুবিধা আদায় করে দেওয়া কর্মকর্তা ও এস আলমের নিয়োগ করা কর্মকর্তারাই চাকরী হারাচ্ছেন। বায়েজিদ হোসেন মুরাদ তেমনি একজন বলে জানা গেছে।
জানতে চাইলে তিনি চট্টগ্রাম বুলেটিনকে জানান, আমরা আগের দিন অফিস করেছি। পরের দিন সকালে দেখি চাকরী নাই। কি কারণে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তা জানা নেই। এ বিষয়ে বেশি কিছু বলতে চাননি তিনি। তবে জানা গেছে, তার বিরুদ্ধে যেন কোন মামলা করা না হয় সেজন্য ঢাকায় দৌঁড়াদৌড়ি করছেন বায়েজিদ হাসান মুরাদ।