চট্টগ্রাম বুলেটিন

সাংবাদিক জয়নালের পিতার দাফন সম্পন্ন, শীঘ্রই হবে মামলা

 

সীতাকুণ্ড প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, দৈনিক খবরপত্রের সীতাকুণ্ড উপজেলা প্রতিনিধি মো. জয়নাল আবেদীনের পিতা মো. মোজাম্মেল হোসেনের নামাজে জানাযা শেষে দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) বেলা এগারোটায় পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড দক্ষিণ ইদিলপুর গ্রামের হোসাইন মঞ্জিলের মাঠে নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়৷ পরে পাশ্ববর্তী কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়েছে।

জানাযায় উপস্থিত ছিলেন, ৮ নং ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার রফিকুল আলম, সীতাকুণ্ড প্রেস ক্লাবের সভাপতি সুলাইমান মেহেদী হাসান, সাধারণ সম্পাদক এম কে মনির, ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন রফিক, দৈনিক পূর্বদেশের সাংবাদিক জাহেদুল আনোয়ার চৌধুরী, জামায়াত নেতা পেয়ার আহম্মেদ পেয়ারু, মো. সাহাবুদ্দিন। জানাযা নামাজে ইমামতি করেন হোসাইন মঞ্জিলের কর্তা মৌলভী কানু।

এতে আরও উপস্থিত ছিলেন, সীতাকুণ্ড প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ফারহান সিদ্দিক, সহ-সভাপতি ইলিয়াছ ভূঁইয়া, মো. কামরুজ্জামান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক প্রফেসর নাজিমুজ্জামান রাশেদ, আইন সম্পাদক এডভোকেট শাহাদাত হোসেন, সদস্য নাছির উদ্দীন শিবলু, আব্দুল মামুন প্রমুখ। এছাড়াও সীতাকুণ্ড বাজারের ব্যবসায়ী সাজ্জাদ হোসেনসহ গণমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

জানাযার নামাজ শেষে মরহুম মোজাম্মেল হোসেনকে বাড়ি সংলগ্ন কবরস্থানে দাফন করা হয়। পরে দোয়া ও মুনাজাত করে মাগফিরাত কামনা করা হয়৷

পৌরসভার সাবেক কমিশনার রফিকুল আলম বলেন, সাংবাদিক জয়নাল আবেদীনের বাবা অত্যন্ত ভালো মানুষ ছিলেন। এমন নিরেট ভদ্র লোক সমাজে বিরল। কারো সাথে ঝামেলায় লিপ্ত হতে দেখিনি তাঁকে। হঠাৎ করে এভাবে চলে যাওয়ার নি:সন্দেহে পরিবারটির জন্য বিরাট দু:খের। আল্লাহ ওনার পরিবারকে এ শোক সইবার তাওফিক দান করুক।

প্রসঙ্গত, মাত্র দেড় বছর মমতাময়ী মাকে হারান সাংবাদিক জয়নাল আবেদীন। এবার সন্ত্রাসীদের হাতে মারধের শিকার হয়ে রুটি রুজির একমাত্র মাধ্যম ৩ দশকের দোকান হারিয়ে অনেকটা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন মোজাম্মেল হোসেন। একপর্যায়ে গতকাল স্ট্রোক করে মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

সাংবাদিক জয়নাল আবেদীন বলেন, যারা আমার বাবাকে বুকে ও পেটে লাথি দিয়েছে তারাই মৃত্যুর জন্য দায়ী বলে আমি মনে করছি৷ শীঘ্রই আমি আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করব।

 

 

Tags :

সর্বশেষ