চট্টগ্রাম বুলেটিন

সাংবাদিক লিটন চৌধুরীর বিকৃত শিশু যৌনাচার!

ব্লগার আসাদুজ্জামান নূরের এক অনুসারীকে ইসলাম ধর্মের অবমাননার অভিযোগে পুলিশ গ্রেপ্তারের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনায় আসা তিন কথিত সাংবাদিক ও ভারতের দালাল হিসেবে পরিচিত ইসকন সদস্য লিটন চৌধুরীর কুকীর্তি ফাঁস হয়েছে৷ কেবল রাষ্ট্রদ্রোহীতা নয় সাম্প্রদায়িক উস্কানির অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে৷ আওয়ামী লীগ শাসনামলে ফ্যাসিবাদের দোসর হিসেবে কাজ করা এই লিটন চৌধুরীর দুর্নীতির নিয়ে আমাদের দ্বিতীয় পর্ব আসবে শিগগিরই। তবে আজ মো. আরিয়ান হোসাইন নামে এক যুবক তার ভাইয়ের সাথে ঘটে যাওয়া লিটন চৌধুরীর বিকৃত যৌনাচার ফাঁস করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে লিটন চৌধুরী পরিবারটিকে যৌনাচারের বিষয়ে কারো কাছে মুখ না খুলতে চাপ সৃষ্টি করেছিলেন। সময়ের ব্যবধানে তারা এই বিশ্রী ব্যাপারটি ভুলে গেলেও আজ ধর্ম অবমাননাকে কেন্দ্র করে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনায় আসে লিটন চৌধুরী। আর সেই ক্ষোভ থেকেই তিনি ফেজবুক পোস্টে বিষয়টি তুলে ধরেন।

 

পাঠকের উদ্দেশ্যের নিচে এ ব্যক্তির হুবহু তুলে ধরা হলো…

যেসব বয়স্ক পুরুষ ছোট ছেলেদের প্রতি যৌন আকর্ষণ অনুভব করে, মনোবিজ্ঞানে এই প্রবণতাকে পেডোফিলিক ডিসঅর্ডার বা শিশু-যৌন আকর্ষণ (Child Sexual Interest) বলা হয়। এটি একটি অস্বাভাবিক, ক্ষতিকর এবং সম্পূর্ণ বেআইনি প্রবৃত্তি, যা ভুক্তভোগীর মানসিক ও শারীরিক জীবনে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

নিচে থাকা স্ক্রিনশটগুলো সেই ভয়াবহ সময়ের সাক্ষী— যা স্পষ্ট করে দেয়, কতটা নোংরা মানসিকতার অধিকারী ছিল এই লিটন চৌধুরী নামের ব্যক্তি। প্রশ্ন জাগে, এর পেছনে কি কোনো ভারতীয় কূটনৈতিক বা নোংরা এজেন্ডা কাজ করছিল? নাকি উদ্দেশ্য ছিল মুসলিম শিশুদের ধর্মীয় ও মানসিক বিকাশকে ধ্বংস করা?— আল্লাহই ভালো জানেন।

ভাবুন, আমাদের সীতাকুণ্ডের ছোট ছোট নিষ্পাপ শিশুরা কত ভয়ংকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছিল! এবং এটি ধরে নেওয়া যায় যে, আমার ছোট ভাইয়ের মতো অনেকেই হয়তো এর শিকার হয়েছে।ঘটনার শিকার ছিল আমার ছোট ভাই। সে বিষয়টি আমাদের জানালে আমি প্রতিবাদ করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু রাজনৈতিক প্রভাব ও জটিলতায় পড়ে এগোতে পারিনি। ফলে বিষয়টি ধামাচাপা পড়ে যায় এবং সময়ের সাথে ভুলে গিয়েছিলাম।

 

কিন্তু সম্প্রতি, ওই অমানুষটির সীতাকুণ্ডের নামে মিথ্যা তথ্য প্রচারের বিষয়টি সামনে আসার পর, আবারও মনে হলো— এই নোংরামি চিরতরে নিধন করা জরুরি। কারণ, এর মতো বিকৃত মানুষ শুধু এখানে নয়, পুরো বাংলাদেশেই ছড়িয়ে আছে।

আমাদের শিশুদের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য হলেও, এমন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া এখন সময়ের দাবি।

Tags :

সর্বশেষ