ইউনিয়নে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র ও জনতার আস্থা
বুলেটিন প্রতিবেদক:
রাজনীতি যখন সমাজসেবার ব্রত হয়, তখন ব্যক্তি ছাপিয়ে ওঠে সমষ্টির স্বার্থ। সীতাকুণ্ড উপজেলার ১ নম্বর সৈয়দপুর ইউনিয়নের তেমনই একজন বলিষ্ঠ ও মানবিক মানুষ আলাউদ্দিন রুবেল। যাকে সবাই ‘তারেক মাহমুদ রুবেল’ নামে একনামে চেনে। উচ্চশিক্ষা শেষ করে ব্যবসায় সফল হলেও যার হৃদয়ে সবসময় স্পন্দিত হয় এলাকার অসহায় ও সাধারণ মানুষের আর্তনাদ। সম্প্রতি তরুণ এই রাজনীতিবিদকে ঘিরে সৈয়দপুর ইউনিয়বাসীর স্বপ্ন ঘনিভূত হচ্ছে। তার সমাজসেবার প্রতি ঝোঁক ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা ইতিমধ্যে জনমানুষকে আকৃষ্ট করতে সক্ষম হয়েছে। তাইতো সাধারণ কেউ নন, এবার তাকে জনপ্রতিনিধির চেয়ারে বসাতে আশা প্রকাশ করছেন অনেকে। তাদের ভাষ্য, সৎ, যোগ্য, উদার মানবিক ব্যক্তিত্ব তারেক মাহমুদ রুবেল সবকিছুকে ছাপিয়ে মানুষের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন। তিনিই হতে পারেন সৈয়দপুরের পরবর্তী চেয়ারম্যান।
সমাজসেবা যার নেশা:
তারেক মাহমুদ রুবেল মনে করেন, পদের চেয়ে মানুষের ভালোবাসাই বড়। তিনি নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন বিভিন্ন এতিমখানা ও মাদ্রাসায়। এতিম শিশুদের খাবার, বই-খাতা, বেতন এবং প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নে তার অবদান সৈয়দপুরবাসীর মুখে মুখে। তবে তিনি এসব কাজ করেন অনেকটা নিরবে-নিভৃতে। কোন প্রচার ছাড়াই অনেকগুলো প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন তরুণ রাজনীতিবিদ রুবেল। এছাড়া শেখের হাট উচ্চ বিদ্যালয়ের গভর্নিং বডির সাবেক সভাপতি হিসেবে তিনি শিক্ষার আলো ছড়াতে রেখেছেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। সমাজের অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোকেই তিনি নিজের জীবনের সার্থকতা মনে করেন।
চেয়ারটা দায়িত্বের, নিজেকে জাহির করার নয়:
সৈয়দপুরের বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, সাধারণ মানুষের একটাই কথা—চেয়ারম্যান তো অনেকেই হতে চায়, কিন্তু তারা চায় তারেক মাহমুদের মতো একজন যোগ্য ব্যক্তিকে। যোগ্যতার সংজ্ঞা এখানে স্বচ্ছতা, সততা, মানুষের জন্য দরদ ও দায়।
সচেতন মহল বলছে, এই শব্দগুলো খুঁজলে সবই পাওয়া যাবে যার কাছে তিনিই তারেক মাহমুদ রুবেল। সরকারি বরাদ্দ আমানত হিসেবে থাকবে তার কাছে। গরিবের ভাতার কার্ড নিয়ে কোনো ব্যবসা হবে না তার কাছে। এছাড়াও ব্যক্তি জীবনে বিপুল অর্থ সম্পদের মালিক হওয়ায় তিনি কোন কিছু চাওয়া-পাওয়ার থাকবে না তার। খঁড়কুটোর দিকে নজর দেন এমন মানুষও নন রুবেল। তার কাছে পাওয়া যাবে ন্যায়বিচার। সালিশে যিনি দল বা বিত্তের দিকে না তাকিয়ে শুধু দলিল ও সত্যের জয়গান গাইবেন বলছেন তৃণমূলের নেতাকর্মী থেকে কৃষক, দিনমজুররা।
শেখেরহাটের কৃষক আব্দুর রহমান বলেন, শিক্ষানুরাগী রুবেল সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান। ব্যবসায়ী হিসেবে আছে সুনাম। তেমনি অল্প বয়য়ে মানুষের জয়গান গেয়ে সুনাম কুড়িয়েছে বেশি। আমরা মনে করি, তাকে চেয়ারম্যান করা হলে তার পিরিয়ডে জন্মনিবন্ধনের জন্য দালাল লাগবে না, বয়স্ক ভাতার জন্য মেম্বারের পা ধরতে হবে না।
রাজনীতিতে অকুতোভয় এক যোদ্ধা:
রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে তারেক মাহমুদ রুবেল একজন লড়াকু সৈনিক বলে জানা গেছে দলীয় সূত্রে। বিএনপির দু:সময়ে নিরবে অর্থ সহায়তা দিয়ে গেছেন নেতাকর্মীদের। কখনও কাউকে বুঝতে দেননি তিনি কি করছেন। এসব কারণে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে এলাকায় তার সামাজিক কাজ বেড়েছে কয়েকগুণ। বিষয়টি অনেকের কাছে আকস্মিক মনে হলেও সচেতন মহল বলছে, আওয়ামী লীগের শেষ পরিয়ডে রুবেল বিএনপি নেতাকর্মীদের জন্য আর্থিক ছায়া হয়ে ছিল। তাইতো দ্রুত তিনি একজন জনপ্রিয় তরুণ নেতা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। তারা বলছেন, তার কাছে রাজনীতি মানে ভোগ নয়, বরং মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াই। তার এই ত্যাগী নেতৃত্ব তাকে সাধারণ মানুষের আরও কাছে নিয়ে গেছে।

অনুরোধ নয়, সৈয়দপুরবাসীর দাবি:
উপজেলার সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন সৈয়দপুর ইউনিয়ন। যেখানের প্রতিটি প্রান্তে এখন একটি দাবিই জোরালো হচ্ছে— “তারেক মাহমুদ রুবেলকে আমরা চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই।” সচেতন জনতার মতে, এখানে যদি তারেক মাহমুদের মতো সৎ মানুষ না বসেন, তবে যোগ্যতাহীন কেউ এসে ইউনিয়নের ক্ষতি করবে।
আগামীর স্বপ্ন:তারেক মাহমুদ রুবেল জানান, তিনি স্বপ্ন দেখেন এমন এক ইউনিয়নের, যেখানে রাস্তাগুলো টেকসই হবে, তরুণরা মাদকমুক্ত থাকবে এবং প্রতিটি নাগরিক মাথা উঁচু করে বলতে পারবে আমরা রাস্তা-ঘাট, পড়াশোনা, উন্নয়নের সমৃদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত গর্বিত এলাকায় বসবাস করি। জানা যায়, সৈয়দপুরের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম নেওয়া এই শিক্ষিত ও মার্জিত তারেক মাহমুদ রুবেল বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাজী আবু তাহের সন্তান। তিনি এ আর এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী।