Skip to main content

চট্টগ্রাম বুলেটিন

বিএনপি নেতাকে আ. লীগ বানানোর অপচেষ্টার অভিযোগ, নেপথ্যে আওয়ামী লীগ নেতাই

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে জিয়া মঞ্চ চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সহ-সভাপতি, ৯৬-৯৭ সালে নির্যাতিত ত্যাগী কর্মী আবদুল কাদেরকে স্বার্থান্বেষী একটি মহল আওয়ামী লীগ বানাতে মরিয়া হয়ে ওঠেছেন। তার বিরুদ্ধে নানা কুৎসা রটিয়ে তারা ফায়দা লুটার চেষ্টায় লিপ্ত আছেন। আর এসবের নেপথ্যে আছেন আওয়ামী লীগের এক নেতাই। এমন অভিযোগ আবদুল কাদেরের।

তার অভিযোগ, নাম সর্বস্ব গুটি কয়েক ভুঁইফোড় অনলাইন নিউজ পোর্টালে নীতি নৈতিকতা ও বাস্তবতা বিবর্জিত ঘৃণ্য মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। যা দায়িত্ব জ্ঞানহীনতারই পরিচয়। এসব পোর্টালের এ ঘৃণ্য কাজের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

তিনি জানান, একপেশে মনগড়া কল্পনা প্রসূত মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করা হয়নি শুধু ইসলামি মূল্যবোধ ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এর দর্শন বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের নীতি আদর্শের একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের মানহানী করা হয়েছে পরিকল্পিতভাবে। তার কোন বক্তব্যই নেয়নি পোর্টালগুলো। যা পেইড ও সাংবাদিকতার নীতি বিবর্জিত। তিনি আরও জানান, দলের জন্য ১৯৯৬ সালে নির্বাচনে কাজ করতে গিয়ে গ্রেপ্তার হয়ে অস্ত্র মামলায় দেড় বছর জেলে ছিলেন। এরপর ডাবল মার্ডারসহ একাধিক হত্যা মামলার শিকার হন আওয়ামী লীগের রোষানলে। পরবর্তীতে এসব মামলা থেকে তিনি খালাস পেয়েছেন।

জানা যায়, জিয়া উত্তর জেলার সহ-সভাপতি আবদুল কাদের বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের শাসনামলে বহু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তার বাড়িঘরে হামলা ভাংচুর লুটপাট চালিয়েছিল আওয়ামী সন্ত্রাসী বাহিনী। তাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলাও চলমান আছে। অথচ তার বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ চক্রটি ওঠে পড়ে লেগেছে। তাকেই তারা বানিয়ে দিচ্ছেন আওয়ামী লীগ। এমন ঘৃণ্য হলুদ সাংবাদিকতার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি। আবদুল কাদের ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে জড়িত থাকার কোন তথ্য প্রমাণ থাকলে তা উপস্থাপন করার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন।

আবদুল কাদের চট্টগ্রাম বুলেটিনকে জানান, আমি ৯৬ সাল থেকে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। আমাকে বহু মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়। ২০০১ সাল থেকে আমি প্রবাসে। বর্তমানে জিয়া মঞ্চ উত্তর জেলার সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে আছি। কেন্দ্রীয় সভাপতি থেকে শুরু করে আমার বন্ধু, রাজনৈতিক সহযোদ্ধারা ভালো পর্যায়ে দায়িত্বে রয়েছেন৷ আমার ত্যাগের কথা তারা জানেন। আওয়ামী লীগ নেতা আবু তৈয়ব একবার আমাকে ডেকে পাঠায়। আমি তখন তার কাছে গেলে তারাই ছবি তুলে আমাকে ফাঁসায়। এটা এখন আওয়ামী লীগ নেতা ও আমার ছোট ভাই গোলাম মাওলা মুরাদ অপপ্রচার চালাচ্ছে। তার কাছে বহু টাকা পয়সা আছে। একটি রাজনৈতিক দলের নেতাও ফ্যাসিবাদ বিরোধী সেজে তার পক্ষ নিয়েছে। আমার বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। যদিও ৫ আগস্টের আগে তিনি যে আওয়ামী বিরোধী এটা জানতামই না। এমনকি নাজিরহাটের অনেকে জানতো না। অক্টোবরে তারা আমার বাড়িতে হামলা করে অথচ কৃষকলীগ নেতা গোলাম মাওলার বাড়ি আমার পাশে হলেও সেখানে হামলা করেনি৷ পরিকল্পিতভাবে পলাতক নেতার নির্দেশেই এ হামলা হয়েছে। এখন তারাই আমাকে আওয়ামী লীগ বানিয়ে মানুষের কাছে ছোট করতে চায়। জনগণতো জানে আমরা কি করেছি দলের জন্য। কখনও দল থেকে প্রাপ্তি ছিলো না। নির্যাতিত হয়েছি। পরিবারের টানে বিদেশে পাড়ি দিয়েছি। এরপরও দল ছাড়িনি।

 

Tags :

সর্বশেষ