চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোস্তফা কামাল পাশার বিরুদ্ধে। গত ১৯ জানুয়ারি (সোমবার) বিকেলে প্রার্থীর বসতবাড়ির উঠানে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে একটি গোপন আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯ জানুয়ারি (সোমবার) বিকাল ৩ ঘটিকায় সন্দ্বীপের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মোস্তফা কামাল পাশার বাড়িতে বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব সোলাইমান বাদশার নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধাদের একটি প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। তবে এলাকাবাসীর অভিযোগ, সৌজন্য সাক্ষাতের নাম বলা হলেও এটি ছিল মূলত একটি নির্বাচনী গোপন বৈঠক, যা নির্বাচনী আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, আলোচনায় আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণের কথা বলা হয়। এ সময় ধানের শীষ প্রতীককে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী করতে সার্বিক সহযোগিতা এবং কৌশল নির্ধারণ নিয়ে আলোচনা করা হয়। এছাড়া, আগামী ২৫ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম পলোগ্রাউন্ড মাঠে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জনসভায় সন্দ্বীপ থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের যোগদানের বিষয়েও বিস্তারিত পরিকল্পনা করা হয়।
উক্ত গোপন বৈঠকে মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব সোলাইমান বাদশা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জনাব আবু জাফর, আবদুল হান্নান, রফিকুল ইসলাম, মোঃ ইব্রাহিমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
নির্বাচন কমিশনের বিধিমালা অনুযায়ী, প্রতীক বরাদ্দের আগে বা নির্দিষ্ট সময়ের বাইরে ঘরোয়াভাবে বড় জমায়েত বা গোপন নির্বাচনী বৈঠক আচরণবিধির পরিপন্থী। এ ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।