শিল্পদূষণ থেকে নদীকে বাঁচাতে চট্টগ্রামে গণশুনানী করেছে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)। জলাবদ্ধতার প্রধান কারণ নদী-খাল ভরাট ও প্লাস্টিকের বর্জ্য ফেলে নদীকে ক্ষতি করা। এসব নিয়ে মানুষকে সচেতন করে তুলতেই এই গণশুনানীর আয়োজন করে বেলা।
সোমবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে এ গণশুনানী অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো জিয়াউদ্দিন। আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ মনজুরুল কিবরিয়া, ইস্ট ডেল্টা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. সিকান্দর খান, এপিসি এর উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. শফিক হায়দার, বেলার হেড অব প্রোগ্রাম ফিরোজুল ইসলাম, প্রোগ্রাম কোর্ডিনেট এ এম এম মামুন, নেটওয়ার্ক মেম্বার আলীউর রহমান।
গণশুনানীতে বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দিন বলেন, আমরা দখল দূষণে প্লাস্টিক বর্জ ফেলে নদীকে মারছি। নদীর আর্তনাদ কান্নায় চট্টগ্রাম ডুবছে। চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতার প্রধান কারণ খাল নালা ভরাট দখল ও প্লাস্টিক বর্জ্য ফেলে ভরাট করা।
প্রফেসর মু. সেকান্দর খানের সভাপতিত্বে গণশুনানিতে চট্টগ্রামের নদী দখল দূষণ বিষয়ে প্রবদ্ধ উপস্থাপন করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রাণী বিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মঞ্জুরুল কিবরিয়া।
গণশুনানীতে বক্তারা বলেন, চট্টগ্রামের ওয়াসার ওয়া আছে সা নাই। যে কারণে মনুষ্য বর্জ্য নদীকে হত্যা করছে। চট্টগ্রামের সাড়ে তিন শতাধিক ছোট বড় শিল্প কারখানার বর্জ্য কর্ণফুলীকে দূষণ করছে। কেননা তারা তাদের দুই শতাধিক জানাজ কর্ণফুলিতে নোঙর করে রাখে। এসব জাহাজের রাসায়নিক এবং পোড়া তেল ও কর্ণফুলী নদীর তলদেশে জমা হওয়া প্লাস্টিকের স্তরের প্রভাবে কর্ণফুলীর মিঠা পানির ৬৫ প্রজাতির মাছের অধিকাংশ হারিয়ে গেছে। কারখানায় শুধু ইটিপি বসালে হবে না। নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে তা সারাক্ষণ নজরদারী করতে হবে।