চট্টগ্রাম বুলেটিন

হালিশহরে সরকারি হাসপাতাল ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের দাবি সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমানের

চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান তাঁর নির্বাচনী এলাকার জনসাধারণের স্বাস্থ্যসেবা ও সাংস্কৃতিক বিকাশে জাতীয় সংসদে জোরালো দাবি উত্থাপন করেছেন। বিশেষ করে হালিশহর এলাকায় একটি পূর্ণাঙ্গ সরকারি হাসপাতাল এবং একটি আধুনিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে (বাজেট অধিবেশন) বক্তব্য রাখার সময় তিনি এই দাবি জানান

সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান সংসদকে অবহিত করেন যে, চট্টগ্রাম-১০ আসনের নাগরিকদের দীর্ঘদিনের এই দাবি পূরণে তিনি ইতিমধ্যেই পদক্ষেপ নিয়েছেন। তিনি বলেন, হালিশহরে সরকারি হাসপাতাল এবং সাংস্কৃতিক কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার বিষয়ে আমি ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়কে আধা-সরকারি পত্র (ডিও লেটার) পাঠিয়েছি। আমি আশা করি মন্ত্রণালয় দ্রুত এ বিষয়ে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেবে।”
“কারাগার নয়, খেলার মাঠ ও সংস্কৃতি কেন্দ্র বাড়াতে হবে”
তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ছোবল ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে রক্ষা করতে খেলার মাঠ বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন এই সংসদ সদস্য। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন,
“আমাদেরকে কারাগার নয়, বরং খেলার মাঠ ও উন্মুক্ত স্থানের সংখ্যা বাড়াতে হবে। তরুণ ও কিশোরদের জন্য যত বেশি খেলার মাঠের ব্যবস্থা করা যাবে, মাদক ও কিশোর গ্যাং কালচারসহ সমাজে চলমান অন্যান্য অবক্ষয় থেকে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তত দ্রুত মুক্তি পাবে।”

সংসদীয় প্রশ্নোত্তর:
এদিন সংসদ অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার পাশাপাশি সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান তাঁর সহকর্মী সংসদ সদস্য আখতার হোসেন এবং সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন এবং নিজ আসনের উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের সব বিতর্ক, কর্মকাণ্ডের প্রধান মঞ্চ হবে এই সংসদ। যার ফলে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমরা দিনের পর দিন এই সংসদকে কার্যকর রেখেছি। সংসদীয় গণতন্ত্রে আপনারা বিরোধী দলও সরকারের অংশ। আপনারা আলোচনা করবেন, সমালোচনা করবেন, পরামর্শ দেবেন এটাই আমাদের কাছে কাম্য৷ কিন্তুু শুধু সমালোচনার খাতিরে যেন সমালোচনা যেন না হয়৷ সামাজিক নিরাপত্তা খাত তথা থোক বরাদ্দে বাজেটে যে ব্যয় ধরা হয়েছে তা নিয়ে আখতার হোসেনের দুর্নীতির আশঙ্কার জবাবে তিনি বলেন, তা আসলে ব্যয় নয়। এটি জাতি গঠনে বিনিয়োগ। তারেক রহমানের সুদূরপ্রসারী কল্যাণ রাষ্ট্রচিন্তার অংশ৷

তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার পরিবারের সদস্যরা যে নিপীড়ন, বঞ্চনার শিকার হয়েছেন তা কোন অংশে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের নিপীড়ন, বঞ্চনার চেয়ে কম নয়। তার দ্বারা কখনও জনগণের আমানতের খেয়ানত হবে না। তিনি নিজেও করবেন না, আমাদেরকেও তা হতে দেবেন না। তিনি বলেন, আমরা সরকারী দল ও বিরোধী দল একসাথে জনগণের টাকার আমানত পালন করতে হবে। এই টাকার খেয়ানত না করার ইবাদত সেভাবে করতে হবে যেভাবে মসজিদে একই কাতারে আমরা নামাজ পড়ি৷

Tags :

সর্বশেষ