দৈনিক আমার দেশের তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধ হয়রানিমূলক মামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিএমইউজে)।
চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব ও দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার আবাসিক সম্পাদক জাহিদুল করিম কচি, চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান সোহাগ কুমার বিশ্বাস ও স্টাফ রিপোর্টার এম কে মনিরের বিরুদ্ধে কর্ণফুলি শীপ বিল্ডার্সের এমডি আবদুর রশিদ পরপর দুটি বানোয়াট, মিথ্যা, কথিত মানহানির মামলার প্রতিবাদে এই বিবৃতি দেওয়া হয়। ’চসিকের ১৫ ভবন ভাঙার উদ্যোগ, ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা’শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের জের ধরে দুই দিনের ব্যবধানে দুটি মানহানির কাল্পনিক অভিযোগে আদালতে এইসব মামলা দায়ের করেন মামলাবাজ আব্দুর রশিদ। সিএমইউজে এই্ মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি অবিলম্বে হয়রানীমুলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।
সিএমইউজে সভাপতি মোহাম্মদ শাহনওয়াজ ও সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান এক বিবৃতিতে বলেন, আমরা মনে করি, এই ধরনের হয়রানিমূলক মামলা মুক্ত ও অবাধ গণমাধ্যমের পরিবেশকে বিঘ্নিত করছে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, গণমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ ও সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা। সমাজের নানা ঘটনা প্রবাহ প্রকাশ করাই সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব। দৈনিক আমার দেশের তিন সাংবাদিক এই দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এখন হয়রানি শিকার হচ্ছেন।
গণমাধ্যম ও সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা করে সেই খবর পত্রিকায় বিজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করে গণমাধ্যমকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও ভীতি ছড়ানের অপপ্রয়াসে লিপ্ত হয়েছেন আবদুর রশিদ। আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই – মামলা দিয়ে গণমাধ্যমের মুখ বন্ধ রাখা যাবে না।
বিবৃতিতে সিএমইউজে নেতৃবৃন্দ বলেন, গণমাধ্যমের জন্য প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রকাশিত সংবাদে কেউ সক্ষুদ্ধ হলে নিজের বক্তব্য উপস্থাপন করে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানাতে পারতেন। কিন্তু এইক্ষেত্রে আবদুর রশিদ তা না করে সরাসরি আদালতে দুই দুইটা মামলা করেছেন। এতে স্পষ্ট যে তার উদ্দেশ্য দৈনিক আমার দেশের সাংবাদিকদের হয়রানির করা।
তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে করা মামলাগুলো দেশের গণমাধ্যমের জন্য যেমনি উদ্বেগের তেমনি স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্যও হুমকি। আমরা মনে করি, এ ধরণের ঘটনা পেশাগত কাজে বাধা দিয়ে কণ্ঠরোধ করার অপচেষ্টা মাত্র। অবিলম্বে এই মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছে সিএমইউজে ।