সীতাকুণ্ডের বেকারত্ব সমস্যা সবচেয়ে বড় সমস্যা। এ উপজেলার শতশত তরুণ পড়ালেখা শেষ করার পর বেকার হয়ে ঘুরতে থাকেন৷ শিল্পকারখানা অধিষ্ঠিত এলাকা হলেও প্রতিষ্ঠানিক তাদেরকে চাকরি দিতে চায় না। কেননা অনেক প্রতিষ্ঠানই স্থানীয়দের চাকরিতে না নিতে অঘোষিত নীতিমালা করে রেখেছে। আমি নির্বাচিত হলে এই বেকার তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে আমার অন্যতম লক্ষ্য।
শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সীতাকুণ্ডের কুমিরা ইউনিয়নে দিনব্যাপী গণসংযোগে এসব কথা বলেন জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী আনোয়ার ছিদ্দিক চৌধুরী। এ সময় তিনি কুমিরা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম পরিদর্শন করেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। শুধু তাই নয় তিনি বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে স্থানীয় প্রধান প্রধান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করেন এবং ভবিষ্যতে এসব সমস্যার সমাধানে আশ্বাস দেন।
আনোয়ার ছিদ্দিক চৌধুরী বলেন, সীতাকুণ্ড প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরূপ লীলাভূমি। এর একপাশে সারি সারি পাহাড় আরেকপাশে বঙ্গোপসাগরের নীল জলরাশি। মাঝখানে অসংখ্য বাড়িঘর এবং শিল্পকারখানা। এখানে রয়েছে সরকারি বেসরকারি স্থান৷ বিশেষ করে সুনামধন্য আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, বিএমএ হাইস্কুল, চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, বিআইটিআইডি, ফৌজদারহাট নার্সিং কলেজে, বক্ষব্যাধী হাসপাতালসহ গুরুত্বপূর্ণ অনেক প্রতিষ্ঠানের অবস্থান এই সীতাকুণ্ডে। এছাড়াও জাহাজ ভাঙা শিল্পের জন্য সীতাকুণ্ড বিখ্যাত৷ কৃষি, শিক্ষা, সংস্কৃতি, পর্যটন, অর্থনীতি সবদিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ সীতাকুণ্ড উপজেলা৷
ইনশাল্লাহ সীতাকুণ্ডের মানুষ যদি আমাকে এমপি নির্বাচিত করেন তাহলে আমি কথা দিচ্ছি কোন অশিক্ষিত ব্যক্তি সীতাকুণ্ডে থাকবে না। শতভাগ শিক্ষিতের উপজেলায় রূপান্তর করব সীতাকুণ্ডকে ইনশাআল্লাহ৷ শুধু তাই নয়, বেকারত্ব, মাদক, সন্ত্রাস চাঁদাবাজমুক্ত সীতাকুণ্ড গড়ব৷ পর্যটন সীতাকুণ্ডকে আরো বেশি সমৃদ্ধশালী করব৷ জাহাজ ভাঙা শিল্পকে মাফিয়াদের হাত থেকে রক্ষা করব। স্বাস্থ্য সেবায় আমূল পরিবর্তন ঘটাব৷
এসময় আনোয়ার ছিদ্দীক চৌধুরী তার নানা পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন৷ সেইসাথে তার গণসংযোগে জামায়াতের দায়িত্বশীলরা অংশ নেন৷ দলমত নির্বিশেষে বিএনপিসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাদের সাথে কথা বলেন।