চট্টগ্রাম বুলেটিন

উন্নয়ন-অগ্রযাত্রার মিছিলে যুক্ত হোক নতুনের আবাহন: সাঈদ আল নোমান

দেশবাসীকে এমপি সাঈদের নববর্ষের শুভেচ্ছা

পহেলা বৈশাখ, বাঙালির প্রাণের উৎসব। জীর্ণ পুরাতনকে পেছনে ফেলে নতুনের আবাহনে সারা দেশের ন্যায় বন্দরনগরী চট্টগ্রামেও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩। এই আনন্দঘন মুহূর্তে চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান তাঁর নির্বাচনী এলাকাসহ দেশবাসীকে জানিয়েছেন আন্তরিক ‘বৈশাখী শুভেচ্ছা’।

নববর্ষ উপলক্ষে এক বিশেষ বার্তায় তিনি বলেন, “উন্নয়ন আর অগ্রযাত্রার মিছিলে যুক্ত হোক নতুনের আবাহন। বিগত দিনের সকল গ্লানি মুছে দিয়ে আমরা নতুন বছরে উন্নয়ন আর অগ্রযাত্রার বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে এগিয়ে যাব।”

একই বার্তায় এমপি সাঈদ আল নোমান উন্নয়নের রোডম্যাপে চট্টগ্রাম নিয়ে নিজের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন বন্দরনগরীবাসীকে। সাঈদ আল নোমান তার বার্তায় চট্টগ্রামের সামগ্রিক উন্নয়নের একটি রূপরেখা তুলে উল্লেখ করেন, তার লক্ষ্য হচ্ছে চট্টগ্রামকে বিশ্বমানের এক আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তোলা। যেটিকে প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন৷ এই উন্নয়ন পরিকল্পনার মূল স্তম্ভগুলো হলো বিশ্বমানের কর্মসংস্থান। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের জন্য আধুনিক ও প্রযুক্তিভিত্তিক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা ।

দ্বিতীয়ত সেবা ও শিক্ষা তার অন্যতম লক্ষ্য। মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং নাগরিক সেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চান। এছাড়াও অন্যতম মৌলিক অধিকার চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য নিয়ে দীর্ঘ দিন কাজ করছেন চট্টগ্রামের তরুণ এই সংসদ সদস্য। উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার মাধ্যমে স্বাস্থ্যখাতের আমূল পরিবর্তনে কাজ করার অঙ্গিকার করেন তিনি।

তিনি বলেন, নিরাপত্তা ও সুপেয় পানি সবচেয়ে জরুরী। এর সাথে স্বাস্থ্যগত নিরাপত্তা পুরোপুরি জড়িত। এলাকার জনগণের জন্য নিরবচ্ছিন্ন সুপেয় পানি সরবরাহ এবং সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করা আমার দায়িত্বের সর্বাগ্রে থাকবে। তাছাড়া নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে চান উল্লেখ করে বীর মুক্তিযোদ্ধার এই সন্তান বলেন, চট্টগ্রামের দীর্ঘদিনের সমস্যা জলাবদ্ধতা দূরীকরণে দীর্ঘমেয়াদী ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা। যা মানুষকে নগরীতে স্বস্তিতে বসবাস করতে দেবে। এটির টেকসই উন্নয়ন প্রয়োজন। যার সুফল পৌঁছাবে নগরীর এ কোণ থেকে ও কোণে।

সাঈদ আল নোমান বলেন, আমাদের এই শৈলশহর পাহাড়, নদী, সমুদ্রে ঘেরা। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অপরূপ লীলাভূমি। চট্টগ্রাম আমার প্রাণের শহর। এই নগরী পর্যটনে সমৃদ্ধ যেমনি সমৃদ্ধ তেমনি অর্থনীতিতেও৷ তবে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটানো গেলে সেই পর্যটন আমাদের জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। চট্টগ্রামের পর্যটন খাতের অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো এবং উন্নত সড়ক পরিকল্পনার মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন করা জরুরি বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, ঐতিহ্যের বন্ধনে আগামীর পথচলা হোক আরও সুন্দর, সবার জীবন হোক আলোকিত। উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমাদের নেতা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। চট্টগ্রাম-১০ আসনের প্রতিটি মানুষের জীবনমান উন্নয়নই আমার মূল লক্ষ্য। নতুন বছরে দেশ ও জাতির সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করছি।

Tags :

সর্বশেষ