চট্টগ্রাম বুলেটিন

প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে যা বললেন সিডিএ’র নতুন চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন মহান আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া আদায় করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। পাহাড়, সমতল, নদী ও সাগরবেষ্টিত চট্টগ্রামকে একটি সবুজ, নান্দনিক ও আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার রাতে এক বিবৃতিতে ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন বলেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বড় সন্তান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাকে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব অর্পণ করেছেন। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।” কৃতজ্ঞতা প্রকাশের পাশাপাশি চট্টগ্রামের সার্বিক উন্নয়নে সকল সরকারি সংস্থা ও নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেছেন নতুন সিডিএ চেয়ারম্যান।

নেতৃবৃন্দ ও সহযোদ্ধাদের প্রতি চিরকৃতজ্ঞতা

ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন তাঁর রাজনৈতিক অভিভাবক, সহকর্মী এবং আন্দোলন-সংগ্রামের সহযোদ্ধাদের স্মরণ করে বলেন, “চট্টগ্রামের কৃতি সন্তান আমার প্রিয় নেতা বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, দলের মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন, গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী,  ভূমি ও পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান প্রবীণ রাজনীতিবিদ গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী এমপিসহ চট্টগ্রামের সকল সংসদ সদস্য এবং চসিক মেয়রের প্রতি আমি চিরকৃতজ্ঞ।”

তিনি আরও যোগ করেন, “আন্দোলন-সংগ্রামের প্রিয় সহযোদ্ধা, আমার জেল পার্টনার, মামলার পার্টনার, দলীয় নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ, চট্টগ্রামের সাধারণ জনগণ এবং আমার প্রাণের সংগঠন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দের ভালোবাসা আমাকে আগামী দিনে অনুপ্রাণিত করবে।”

সমন্বিত উন্নয়ন ও আধুনিক নগর গড়ার অঙ্গীকার
দায়িত্ব পাওয়ার পর চট্টগ্রামের নাগরিক সংকট নিরসনে নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন নতুন চেয়ারম্যান। তিনি জানান, এককভাবে নয়, বরং সবাইকে সাথে নিয়ে পরিকল্পিত নগর গঠনে কাজ করবেন তিনি। তাঁর প্রধান লক্ষ্যগুলোর মধ্যে সংস্থাগুলোর মধ্যে প্রপার সমন্বয়, নাগরিক সমস্যার সমাধান, সবুজ ও আধুনিক শহর গঠন এবং উন্নত আবাসন ব্যবস্থাকে চিহ্নিত করেন।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) সহ নগরের উন্নয়ন ও সেবামূলক সকল সংস্থার সাথে শতভাগ সমন্বয় গড়ে তুলব। চট্টগ্রামের দীর্ঘদিনের প্রধান অভিশাপ জলাবদ্ধতা নিরসনসহ সব ধরনের নাগরিক সমস্যা সমাধানে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করব৷ <span;> চট্টগ্রামকে একটি পরিবেশবান্ধব, আধুনিক ও সবুজ শহরে রূপান্তর করা হবে। সিডিএ’র বিদ্যমান অভ্যন্তরীণ সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

প্রতিটি আবাসিক এলাকাকে উন্নত, সমৃদ্ধ ও শতভাগ বাসযোগ্য করে তোলা হবে। শহরের ক্রমবর্ধমান আয়তনের কথা মাথায় রেখে মূল নগরের ওপর চাপ কমিয়ে স্বস্তির বসতি গড়তে নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।

বেলায়েত হোসেন বলেন, ” মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, তা যেন আমি যথাযথভাবে পালন করতে পারি—সেজন্য আমি সবার দোয়া ও সহযোগিতা চাই। ইনশাআল্লাহ, সবার সহযোগিতায় চট্টগ্রামকে একটি উন্নত ও সম্পূর্ণ বসবাসযোগ্য আবাসন ও নগর ব্যবস্থা গড়ে তুলব।”

Tags :

সর্বশেষ