চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে বিএনপি ও যুবদলের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন।
গতকাল বুধবার (২ এপ্রিল) বিকাল পাঁচটার দিকে উপজেলার মগধরা ইউনিয়নের পেলিশ্যা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও আটজন সন্দ্বীপ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন। আরও অন্তত তিনজন স্থানীয় চিকিৎসকের চেম্বারে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
পেলিশ্যা বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, এলাকায় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে মগধরা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মিলাদের অনুসারীদের সঙ্গে মগধরা ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মো. কামরুলের অনুসারীদের এই সংঘর্ষ হয়। এমনকি আহতদের হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানেও হামলার ঘটনা ঘটে।
উপজলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের সামনে ২০ থেকে ৩০ জন লোক চিকিৎসাধীন প্রতিপক্ষের লোকজনের ওপর হামলার চেষ্টা চালান। এ সময় গাছুয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মো. আবদুর রহীম দুই পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করেন।
আহত মো. সোহেল বলেন, হাসপাতালে মোট আটজন আহত ব্যক্তি চিকিৎসা নিতে আসেন। তিনি ছাড়া আহত অন্যরা হলেন মাহফুজ, মিলাদ, আলতাফ, আকবর, নোয়াব, পারভেজ ও দিদার। আহত যুবদলের নেতা কামরুল ও মাহিদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় বুধবার সন্ধ্যা সাতটায় তাদের চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছে।
চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘আমার এলাকাতেই এ সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটেছে। মূলত পেলিশ্যা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির কর্তৃত্ব নিয়ে ঘটনাটি ঘটেছে।’ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উত্তেজনার বিষয়ে তিনি বলেন, সেখানে ইতিমধ্যে নৌবাহিনী পৌঁছেছে। পরিস্থিতি এখন শান্ত।
সন্দ্বীপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ কে এম সফিকুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে আমরা ঘটনাস্থলে যায়। এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।