Skip to main content

চট্টগ্রাম বুলেটিন

দুর্নীতি ও সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গেড়ে তোলাই হবে আমাদের কাজ

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস. রহমান হলে মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) ইউনাইটেড পিপলস অব বাংলাদেশের চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সংবাদ সম্মেলন করেছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আহ্বায়ক হুজ্জাতুল্লাহ আবীর, সদস্য সচিব মঈনুর রহমান চৌধুরী মাহি এবং সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।এর আগে ১৬ আগস্ট প্রধান সংগঠক নাঈম আহমেদের সুপারিশে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ ও কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব আরেফিন মোহাম্মদ হিযবুল্লাহ ১৬২ সদস্যের চট্টগ্রাম মহানগর কমিটি ছয় মাসের জন্য অনুমোদন করেন।

কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন: ওমর ফারুক, ডা. মো. রিয়াজুর রহমান তোফাক (মাবরুর), অ্যাডভোকেট দিলরুবা বেগম (মালা), মুহাম্মদ আবুল আহাদ আশরাফুল, আবু মনসুর মো. তারিক আসিফ, মো. ইয়াসির আরাফাত, আরাফাতে ইলাহী, শামীম হাসান, মোহাম্মদ তাইফ চৌধুরী, আসিফ চৌধুরী ও আব্দুল আহাদ।

যুগ্ম সদস্য সচিব হয়েছেন: আব্দুল্লাহ আল মামুন, আব্দুল বাসেত জায়েদ, এবি তাহমিদ মাসুদ, মুশফিক বিন আনোয়ার চৌধুরী, ইমাজউদ্দীন ধীমান, সাদিয়া সুলতানা (আরনিন), মাঈনউদ্দীন, রবিউল আলম, কোহিনূর আক্তার (সীমা), আল নাফিজ রহমান ও মন্ঞুর এলাহী কাশ্মির।

সংবাদ সম্মেলনে আহ্বায়ক হুজ্জাতুল্লাহ আবীর বলেন, চব্বিশের জুলাই গণআন্দোলন দেশের ইতিহাসে এক বিপ্লবী অধ্যায়। সেই ধারার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে জন্ম নিয়েছে ‘আপ বাংলাদেশ’, যার লক্ষ্য দেশপ্রেম, গণতান্ত্রিক অঙ্গীকার ও জনগণের স্বার্থ রক্ষা। দলের মূল উদ্দেশ্য সম্পর্কে তিনি বলেন, সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং স্বৈরাচারবাদের বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে শক্তিশালী আন্দোলন পরিচালনা করা। আহবায়ক হুজ্জাতুল্লাহ আবীর আরও বলেন, চট্টগ্রাম বাংলাদেশের দেশের রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক প্রাণকেন্দ্র। এখান থেকেই সাম্রাজ্যবাদ, স্বৈরাচারবাদ, দুর্নীতি ও ধর্মীয় বৈষম্যের বিরুদ্ধে শক্তিশালী গণআন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে সিটিজিপোস্টের সাংবাদিক ‘আপ বাংলাদেশ’ কী রাজনৈতিক দল, প্রেশার গ্রুপ নাকি রাজনৈতিক উদ্যোগ এমন প্রশ্ন করলে সদস্য সচিব মঈনুর রহমান চৌধুরী মাহি বলেন, ‘বর্তমানে আমরা একটি প্রেশার গ্রুপ, তবে রাজনৈতিক দল গঠন করার ইচ্ছে আছে। আর নিবন্ধনের সময় বাড়ানো হলে আমরা নিবন্ধনের জন্য আবেদন করবো।’

সংবাদ সম্মেলনে নেতারা জনগণের পাশে থেকে অধিকার আদায়ের সংগ্রাম অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন। সম্মেলনের সমাপ্তি হয় ‘বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামে জয় হোক জনগণের, ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ শ্লোগানে।

Tags :

সর্বশেষ