বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নবগঠিত ঢাকা মহানগর উত্তর পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সীতাকুণ্ড উপজেলার ২ নম্বর বারৈয়াঢালা ইউনিয়নের উত্তর রহমত নগর গ্রামের কৃতি সন্তান সাব্বির হোসেন। সম্প্রতি ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এই পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দেন।
সাব্বির হোসেন সীতাকুণ্ডের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান। তাঁর পিতা মো. বেলায়েত হোসেন একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকুরিজীবী। তাঁর বড় ভাই শাহাদাৎ হোসেন শাওনও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক ছাত্রনেতা এবং বর্তমানে যুবদলের রাজনীতির সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। পারিবারিক সূত্রেই সাব্বির হোসেনের ছাত্ররাজনীতিতে হাতেখড়ি।
ত্যাগ ও রাজপথের মূল্যায়ন:
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সাব্বির হোসেন বিগত কমিটিতে আহ্বায়ক সদস্য এবং তার পূর্ববর্তী কমিটিতে অর্থ সম্পাদক হিসেবে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। আওয়ামী স্বৈরাচারী সরকারের আমলে একাধিকবার রাজনৈতিক নিপীড়ন ও নির্যাতনের শিকার হওয়া এই সাহসী ছাত্রনেতা ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক জুলাই আন্দোলনেও সম্মুখ সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাঁর এই ত্যাগ ও রাজপথের সক্রিয় ভূমিকার মূল্যায়ন হিসেবেই কেন্দ্রীয় কমিটি তাঁকে ঢাকা মহানগর উত্তরের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদে মনোনীত করেছে।
এদিকে সাব্বির হোসেনের এই অর্জনে সীতাকুণ্ডের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ ও ছাত্রসমাজের মাঝে আনন্দের জোয়ার বইছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্নভাবে সীতাকুণ্ডের মানুষ সাব্বির হোসেনকে অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছেন।
তারেক রহমানের বার্তা নিয়ে কাজ করার প্রত্যয়
এক প্রতিক্রিয়ায় নবনির্বাচিত যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সাব্বির হোসেন বলেন, “দলের জন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছি। দল আমার ওপর আস্থা রেখে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। এ জন্য আমি আমাদের অভিভাবক, দেশনায়ক তারেক রহমান এবং ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।”
তিনি আরও প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, “আমার নেতা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান কর্তৃক ঘোষিত ‘মানবিক ও মেধাভিত্তিক’ ছাত্ররাজনীতি প্রতিষ্ঠার জন্য আমি জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে কাজ করে যাব, ইনশাআল্লাহ।”