সন্দ্বীপ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব নুরুল মোস্তফা খোকন এর প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়।
সেবার মানোন্নয়নে বিশেষ অবদান
সম্প্রতি জাতীয় সংসদে সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেনের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে জনকল্যাণে এগিয়ে আসেন সন্দ্বীপের কৃতি সন্তান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নুরুল মোস্তফা খোকন। মূলত দীর্ঘদিন ধরে দ্বীপ উপজেলার সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি নানা সমস্যায় জর্জরিত ছিল। নোংরা ও দুর্গন্ধে ভরা শৌচাগারের পাশাপাশি রোগীদের ব্যাড, অপেক্ষাগার থেকে শুরু করে সবকটি কক্ষে ছিল অপরিচ্ছন্ন ও অব্যবস্থাপনার ছাপ। এমন কি রোগী স্বজনদের অপেক্ষাগারে বসার চেয়ারও ছিল না। পর্যাপ্ত চিকিৎসকের পদায়ন থাকলেও অল্প সংখ্যক চিকিৎসক সেবায় নিয়োজিত থাকতেন। এতে দ্বীপ উপজেলার মানুষকে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হতো সরকারি স্বাস্থ্য সেবা পেতে। এমন দুর্দশা দেখে দূর্ভোগ লাঘবে এগিয়ে এলেন মানবিক ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতা নুরুল মোস্তফা খোকন। তার উদ্যোগে এখন পাল্টে গেছে পুরো হাসপাতালের দৃশ্যপট। হাসি ফুটেছে গরিব, অসহায় ও দুঃখী মানুষের মুখে।
হাসপাতালে তাঁর উল্লেখযোগ্য অবদানসমূহ হলো:
রোগীদের আরামদায়ক বসার ব্যবস্থা: স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আগত রোগীদের জন্য তিনি ৫০টি আধুনিক চেয়ার প্রদান করেছেন।
অবকাঠামো সংস্কার: হাসপাতালের অন্তঃবিভাগে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে জরুরি সংস্কার কাজ সম্পন্ন করেছেন।
স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিক্রিয়া
উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, এই সংস্কার কাজ সময়মতো সম্পন্ন না হলে রোগীদের স্বাস্থ্যসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা ছিল। এই উদ্যোগের ফলে একদিকে যেমন রোগীদের দুর্ভোগ লাঘব হয়েছে, অন্যদিকে বজায় রয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগের সুনাম।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মানস বিশ্বাস স্বাক্ষরিত এক পত্রে জানানো হয়, “আলহাজ্ব নুরুল মোস্তফা খোকনের এই নিঃস্বার্থ অবদান সন্দ্বীপের স্বাস্থ্যসেবার চিত্র বদলে দিতে সহায়ক হবে। আমরা তাঁর এই মানবিক দৃষ্টান্তের জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি এবং তাঁর দীর্ঘায়ু ও উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি।”
স্থানীয়দের অভিমত
স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন, সন্দ্বীপের মতো উপকূলে এমন মানবিক ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তাঁদের মতে, বিত্তবানরা এভাবে এগিয়ে এলে সরকারি প্রতিষ্ঠানের সেবার মান আরও ত্বরান্বিত হবে।