চট্টগ্রাম বুলেটিন

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গণমাধ্যমের অবাধ স্বাধীনতায় বিশ্বাসী, তাঁর নির্দেশেই পূর্বকোণের বিরুদ্ধে মামলা তুলে নিয়েছি: ইঞ্জি. বেলায়েত হোসেন

গণমাধ্যমের অবাধ স্বাধীনতা, অসাধারণ নেতৃত্ব এবং তৃণমূলের প্রতি গভীর ভালোবাসা নিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন নতুন সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন  তারেক রহমান। দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র তিন মাসের মাথায় নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে একের পর এক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছেন তিনি। বাবা-মায়ের দেখানো পথ ধরে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার মহাপরিকল্পনা, খাল খনন, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড, ফুয়েল কার্ড এবং স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণসহ টেকসই উন্নয়নের এক দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন গত ১২ ফেব্রুয়ারি বিপুল ভোটে নির্বাচিত এই রাষ্ট্রনায়ক। তিনি আজ তৃণমূলের লাখো কর্মীর সাহসের বাতিঘর।

সম্প্রতি চট্টগ্রাম বুলেটিনকে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায়  উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও সন্দ্বীপ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন প্রধানমন্ত্রীর গণমাধ্যম প্রীতি, উদারতা এবং কর্মীদের প্রতি তাঁর অসাধারণ আন্তরিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত তুলে ধরেছেন।

তিনি জানান, নির্বাচনের আগে এক একান্ত সাক্ষাৎকারের সময় আলাপের একপর্যায়ে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক দৈনিক ‘পূর্বকোণ’ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেনের দায়ের করা একটি মানহানির মামলা প্রত্যাহার করার নির্দেশ প্রদান করেন তারেক রহমান। প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে কুটূক্তি ও মিথ্যা সংবাদ ছাপানোর জন্য তিনি স্বৈরাচার আমলে পূর্বকোণ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মামলাটি করেছিলেন। নেতার পরামর্শ ও নির্দেশনা মোতাবেক চট্টগ্রাম এসে মামলার আইনজীবী অ্যাডভোকেট এনামুল হক এবং পূর্বকোণ কর্তৃপক্ষের সাথে বৈঠক করে মামলাটি আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত করা হয় বলে জানান বেলায়েত হোসেন।

পরবর্তীতে পূর্বকোণ কর্তৃপক্ষ তাদের পত্রিকার প্রথম পৃষ্ঠায় ওই বৈঠকের ছবিসহ প্রধানমন্ত্রী  তারেক রহমান এবং  অর্থমন্ত্রী জননেতা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে ধন্যবাদ জানিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে। একই সাথে তারা দেশনেত্রী ও প্রয়াত সাবেক জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং ইতিপূর্বে প্রকাশিত অনাকাঙ্ক্ষিত খবরের জন্য আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেন।

ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, “এই ঘটনার প্রায় আড়াই মাস পর চলতি সংসদ অধিবেশন চলাকালীন সময়ে প্রধানমন্ত্রী তাঁর দপ্তরে আমাকে কাছে ডেকে পূর্বকোণের মামলার অগ্রগতির বিষয়ে জানতে চান। ওই সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি, আন্দোলন সংগ্রামের প্রিয় সহযোদ্ধা মোশাররফ হোসেন দীপ্তি।”

তিনি আরও বলেন, “দেশের হাজারো জটিল সমস্যার ভেতরেও আড়াই মাস আগে মাঠের একজন কর্মীকে দেওয়া একটি সিদ্ধান্তের বিষয় প্রধানমন্ত্রী মনে রেখেছেন এবং নাম ধরে ডেকে সেটার খোঁজ নিয়েছেন—এটি সত্যিই অবাক করার মতো এবং অসাধারণ এক অনুভূতি। প্রিয় নেতার এই কমিটমেন্ট, সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের দৃঢ়তা এবং কর্মীদের প্রতি এমন নিখাদ ভালোবাসা আমাদের দলের প্রতি আরও বেশি আন্তরিক হওয়ার অনুপ্রেরণা জোগায়।” তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, “আমাদের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতিচ্ছবি তারেক রহমান। আপনার যোগ্য ও দূরদর্শী নেতৃত্বে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।”

Tags :

সর্বশেষ