চট্টগ্রাম মহানগরীতে অপপ্রচার ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে জাতীয়তাবাদী যুবদল। নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের চক্রান্ত, রাজনৈতিক অপপ্রচার এবং দেশের স্থিতিশীলতা বিনষ্টের অপচেষ্টার প্রতিবাদে নগরের টাইগারপাস এলাকায় দিনভর এক বিশাল অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল নেতা শহিদুল ইসলাম শহীদের নেতৃত্বে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
রাজপথে নেতাকর্মীদের ঢল ও স্লোগানে মুখর টাইগারপাস
মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া এই অবস্থান কর্মসূচিতে যুবদলের কয়েকশত নেতাকর্মী অংশ নেন। সকাল থেকেই ব্যানার, ফেস্টুন ও স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো টাইগারপাস এলাকা। কর্মসূচি চলাকালীন রাজপথে নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ও উদ্দীপনা ছিল চোখে পড়ার মতো। বিকেল পর্যন্ত এই অবস্থান কর্মসূচি একচুলও না নড়ে সফলভাবে পালন করেন তারা।
“জুলাই ও শাপলা চত্বরের গণহত্যাকারীদের ক্ষমা নেই”
অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত নেতাকর্মী ও গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন যুবদল নেতা শহিদুল ইসলাম শহীদ। তিনি আওয়ামী লীগের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, “আওয়ামী লীগ যতদিন পর্যন্ত দেশের জনগণের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাইবে, ততদিন এই দেশে তাদের কোনো ক্ষমা নেই। তারা জুলাই অভ্যুত্থানের গণহত্যা এবং শাপলা চত্বরের গণহত্যাসহ অসংখ্য বর্বরোচিত অপরাধে অভিযুক্ত একটি চিহ্নিত সন্ত্রাসী দল।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী আওয়ামী লীগ এখন একটি নিষিদ্ধ দল। তাই তাদের আইনি পরিণতির বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দেখবে। তবে জনগণের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার কোনো চেষ্টা করা হলে রাজপথে দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।
কড়া হুঁশিয়ারি
বক্তব্যে যুবদল নেতা শহীদ স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেন, “যদি কোনো পক্ষ দেশে নতুন করে নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে চায় কিংবা জনগণের জানমালের ক্ষতি করার চেষ্টা করে, তবে যুবদল সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে তা কঠোর হস্তে দমন করবে। কোনো ধরনের অপপ্রচার বা বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না।”
বিকেল পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ কিন্তু বজ্রকণ্ঠের এই অবস্থান কর্মসূচির মধ্য দিয়ে যুবদল নেতারা স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, রাজপথে যেকোনো ধরনের অপতৎপরতা রুখে দিতে তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুত।