কেবল দেশি পর্যটকই নয় বিদেশি পর্যটকদেরও কাছে টানছে সীতাকুণ্ড। পাহাড় সমুদ্রের অপূর্ব মিলনক্ষেত্র এই উপজেলায় অসংখ্য নয়নাভিরাম ঝরণা রয়েছে। সহস্রধারা, খৈইয়াছড়া ঝর্ণা, সুপ্তধারা, ঝরঝরি ঝর্ণা তার মধ্যে অন্যতম। আশা করছি অতীতের সকল গ্লানি ভুলে এই পর্যটন স্পটগুলো নিরাপদ নির্ভীগ্ন রাখতে বন বিভাগ ও প্রশাসন যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।

কথাগুলো বলছিলেন বিএনপির সাবেক কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আসলাম চৌধুরী, এফসিএ। তিনি বুধবার (৩০ এপ্রিল) বিকাল চারটায় উপজেলার বারৈয়াঢালা ন্যাশনাল পার্ক খৈইয়াছড়া এলাকাসহ ঝর্ণাগুলোর উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন। উদ্বোধন শেষে বনবিভাগ আয়োজিত একটি জনসচেতনামূলক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন আসলাম চৌধুরী।
জনসচেতনতামূলক সভায় সভাপতিত্ব করেন এ.আর এন্টারপ্রাইজ ও গোল্ডেন ট্রেড এর কর্ণধার আলাউদ্দিন রুবেল। চট্টগ্রাম উত্তর জেলা জিয়া মঞ্চের আহ্বায়ক ওয়াহিদুল ইসলাম চৌধুরী শরীফের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম উত্তর বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এস এম কায়সার, সীতাকুণ্ড উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডা. কমল কদর, উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য জহুরুল আলম জহুর, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহবায়ক মোহাম্মদ মুরসালিন, বারৈয়াঢালা ইউনিয়ন বিএনপির সেক্রেটারী জয়নাল আবেদিন, বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সালামত উল্লাহ প্রমুখ।
এ আর এন্টারপ্রাইজের কর্ণধার আলাউদ্দিন রুবেল বলেন, পর্যটন স্পটে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের অন্যতম লক্ষ্য। বন বিভাগের পাশাপাশি আমরাও মানুষকে সচেতন করতে নিয়মিত কাজ করে যাব। শুধু ব্যবসায়িক উদ্দেশ্য নয় পর্যটন স্পটের সৌন্দর্য সুন্দরভাবে, নিরাপদে ও নির্ভীঘ্নে যেন মানুষ উপভোগ করতে পারে সেদিকে দৃষ্টি থাকবে আমাদের।